সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রোববার (২ আগস্ট) নিয়োগপ্রাপ্ত ২৬৬ জন আইন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রথম কর্মদিবসে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এর আগে দোয়ার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেন তারা।
এদিন অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, সবার পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এক রকম নয়। যে যার বিশেষজ্ঞতার জায়গা থেকে রাষ্ট্রের পক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশপ্রেম, সততা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই দায়িত্বই পালন করব।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চায়, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ভিত্তি হোক সততা, কর্মদক্ষতা, জাতীয়তাবাদী চেতনা ও দেশপ্রেম। আমার বিশ্বাস, সরকার ও রাষ্ট্রপতি এসব বিষয় বিবেচনা করেই নিয়োগ দিয়েছেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের দায়িত্ব শুধু সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এ দেশের প্রতিটি নাগরিকই এই কার্যালয়ের সেবাগ্রহীতা।
তিনি আরও বলেন, সরকারই আমাদের একমাত্র ক্লায়েন্ট নয়। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষই আমাদের ক্লায়েন্ট। তাই জনগণের কল্যাণ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চাই।
আইন কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে একাংশের অসন্তোষের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এত বড় একটি দপ্তরে সবাইকে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে মোট ৩৩৭ জন আইন কর্মকর্তা ছিলেন। পরবর্তীকালে সেই সংখ্যা কমেছে। বর্তমান সরকার ও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন অনুযায়ী যতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) প্রয়োজন মনে করেছেন, ততজনকেই নিয়োগ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অনেক সহকর্মী হয়তো এবার বিবেচিত হননি। কেন হননি, সেই সিদ্ধান্ত যারা নিয়োগ দিয়েছেন, তারাই ভালো বলতে পারবেন। আমিও আজ নিয়োগপ্রাপ্তদের একজন মাত্র।
এর আগে ৩০ জুলাই ৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৮০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয় আইন মন্ত্রণালয়।

