ঢাকাবুধবার , ২২ জুন ২০২২

বিদেশ ভ্রমণে এখন আর বাধা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুন ২২, ২০২২ ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 

দীর্ঘ দুই বছর পর আবার এসেছে যেখানে খুশি সেখানে ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ।

২০২০ সালে ভ্রমণের ব্যাপারটা ছিল একেবারেই চাওয়া পাওয়ার বাইরে। জরুরি ভিত্তিতে বের হওয়া ছাড়া, ঘরের বাইরে যাওয়াটাই হয়ে উঠেছিল অসম্ভব। ২০২১ সালে অবস্থার একটু উন্নতি হলেও, বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে মানতে হতো লম্বা বিধিনিষেধের তালিকা। ভ্যাকসিন, সময়মতো কোভিড টেস্ট, ভিসা প্রক্রিয়াকরণের আলাদা ফি ইত্যাদি বাড়তি খরচ এবং আনুষ্ঠানিকতার কারণে ইচ্ছা থাকলেও সম্ভব হয়নি বিদেশ ভ্রমণ। কিন্তু ২০২২ সালে এসে এসব সমস্যাগুলোই ধীরে ধীরে উধাও হয়ে যাচ্ছে। ভ্রমণের জন্য সেরা গন্তব্যগুলোতে এখন প্রায় কোনও রকম বিধিনিষেধই নেই। তাই দেরি না করে এখনই পরিকল্পনা করে ফেলুন আপনার পরবর্তী ভ্রমণের খুঁটিনাটি।

ভ্রমণ বলতেই যেই দেশগুলোর ছবি চোখে ভাসে সেইগুলোর মাঝে আছে তুরস্ক, মালদ্বীপ, নেপাল, থাইল্যান্ড এবং ইন্ডিয়া। একটু খরচাপাতির হিসাব করলেই দেখা যায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় স্থানগুলোতে থাকার খরচ এবং পার্শ্ববর্তী দেশে ঘুরে আসার খরচ প্রায় একই। মাত্র কয়েক হাজার টাকার পার্থক্যে যদি শুভলং এর বদলে শিলং ঘুরে আসা যায়, তবে মন্দ কি। ইন্ডিয়া বা নেপাল ভ্রমণের ক্ষেত্রে সড়কপথেই চলে যাওয়া যায়। তবে সফরটায় সময় চলে যায় এক দিনের বেশি। মূল্যবান ছুটির দিনগুলো রাস্তায় নষ্ট না করতে চাইলে ফ্লাইটে যাওয়াটাই শ্রেয়। পুরো পথটা ফ্লাইটে পাড়ি না দিয়ে অর্ধেক পথও যদি বিমানে এগিয়ে যাওয়া যায়, তবেও বেশ খানিকটা খরচ বেচে যায়, আবার কষ্টটাও কমে।

তবে খরচ বাঁচানোর এই পন্থা শুধুমাত্র কাছাকাছি দেশের জন্যই প্রযোজ্য। লক্ষ্য যদি হয় তুরস্ক, থাইল্যান্ড কিংবা মালদ্বীপ, তবে ফ্লাইট ছাড়া উপায় নেই। বিমানে আসা যাওয়ার সম্পূর্ণ খরচটা একবারে দেওয়াটা অনেকের জন্যই বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে উঠতে পারে। এই দেশগুলোতে থাকার খরচটা কম হলেও, ফ্লাইটেই চলে যায় বাজেটের সিংহভাগ। এই সমস্যার সমাধান করতে দেখে নিতে পারেন গোযায়ান এর নতুন সার্ভিস- ৬ মাস পর্যন্ত ০% ই এম আই। ইএমআই সার্ভিসটি ব্যবহার করে দেশে কিংবা বিদেশের যেকোনও ভ্রমণের ক্ষেত্রে ফ্লাইট, হোটেল কিংবা ট্যুরের খরচটি দিতে পারবেন মাসিক কিস্তিতে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কোনও অনলাইন ভ্রমণ বিষয়ক প্লাটফর্ম ফ্লাইটের জন্য ০% ই এম আই সার্ভিসটি চালু করেছে। ভ্রমণের ক্ষেত্রে তাই এখন কোনও বাধা মানারই প্রয়োজন নেই। সাধ্য, শখ এবং সুবিধা- সবই পাবেন এক ছাতার নিচে।

ফ্লাইটের সমস্যাটা সমাধান হওয়ার পরই দেখতে হবে ট্যুরের পরিকল্পনার খুঁটিনাটি। বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই এইসব দেশে ১-২ বারের বেশি যাওয়া পড়ে না। তাই ট্যুরটা এমনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে যাতে কিছুই বাদ না যায়। অথচ ইন্ডিয়া, তুরস্ক এইসব দেশ পুরোটা ঘুরতে গেলে সময় লেগে যাবে মাসের পর মাস। মূল্যবান ছুটির দিনগুলো যেন মনমতো হয়, তা নিশ্চিত করতে আবার ইচ্ছা করে ট্যুরের প্রতিটি উপাদানই নিজেই পছন্দ করার। তবে দোটানার মধ্যে পড়ে দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। গোযায়ান এর ওয়েবসাইটে কোলাহলবিহীন শান্ত সফর যেমন আছে, তেমনি আছে হিমালয় কিংবা অন্নপূর্ণা ট্রেকিং এর দুঃসাহসিক অভিযানও। এসব দেশের যাবতীয় ট্যুরের বাইরেও পেয়ে যাবেন সম্পূর্ণভাবে নিজের মতো করে ট্যুর বানিয়ে নেওয়ার সুযোগ। আপনার পছন্দগুলো অনলাইনে জানিয়ে দিলেই ওয়েবসাইট থেকে আপনাকে বানিয়ে দেওয়া হবে পছন্দমতো ট্যুর। ফলে নিজের ভ্রমণ নিজের হাতে নিতে পারবেন আবার থাকবেন চিন্তামুক্ত।

স্বপ্ন যদি থাকে ভ্রমণের, তবে পথে এখন আর কোনই বাধা নেই। রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার হোক বা শান্ত সফর, পাহাড় হোক বা সমুদ্র, শহরের কোলাহল কিংবা প্রকৃতির নির্মলতা – ভ্রমণ চলতে থাকুক বাধাহীন।