ঢাকাবুধবার , ২২ জুন ২০২২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১ লাখ ৬৫ হাজার পশু

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুন ২২, ২০২২ ৪:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ১ লাখ ৬৫ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছে জেলার খামারিরা। যা প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ৫০ হাজার বেশি। 

খামারিরা বলছেন, এবার তারা কাঙ্খিত মূল্য পাবার আশা করছেন এবং অনলাইনসহ বিভিন্নভাবে গরু বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে। অন্যদিকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও কোরবানিকে টার্গেট করে বিভিন্ন স্থান থেকে পশু এনে পালন করছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩৯৩টি। তার বিপরীতে জেলার ৫ উপজেলায় ছোট বড় ১১ হাজার ৫০৪ টি খামারে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৫ টি গবাদিপশু ও ছাগল প্রস্তুত করা হয়েছে। এরমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ১৪ হাজার ৮৮৫ টি ষাঁড়, ১৮ হাজার ৩২৫টি বলদ, ১১ হাজার ৫৯৭ টি গাভী, ৮৯টি মহিষ, ৩১ হাজার ১২৯টি ছাগল ও ভেড়া ১ হাজার ৭’শ ৯৭ টি। শিবগঞ্জে ৬ হাজার ৯১০ টি ষাঁড়, ৩ হাজার ২’শ ৭৬ টি বলদ, ৩ হাজার ২৪টি গাভী, ১৩ টি মহিষ, ২০ হাজার ১৭৫টি ছাগল ও ভেড়া ১ হাজার ৭২৭টি। নাচোলে ষাঁড় ২ হাজার ৩২২ টি, ১ হাজার ২২৯টি বলদ, ৫ হাজার ৩৪৭টি গাভী, ৪০টি মহিষ, ৩ হাজার ২৪১ টি ছাগল ও ভেড়া ১ হাজার ২০৭টি। গোমস্তাপুরে ষাঁড়  ৭ হাজার ১৬৯ টি, ৬ হাজার ২০৪টি বলদ, ৬ হাজার ৪২৩ টি গাভী, মহিষ ৩০টি, ছাগল ৬ হাজার ৫৬৯ টি ও ভেড়া ৩ হাজার ৩৩৯টি এবং ভোলাহাটে  ষাঁড় ২ হাজার  ৪৫ টি, বলদ ৪১৩টি, গাভী ২ হাজার ৬৮২টি, মহিষ ৪টি, ছাগল ৬ হাজার ৯৫৮ টি ও ভেড়া ৯’শ ৯৭টি।

 

জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার মমতাজ ডেইরী এন্ড ক্যাটেল ফার্মের ম্যানেজার রেজাউল করিম জানান, কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জের খামারিরা গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া পালন করে আসছেন। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা হচ্ছে এসব গরু। খামারিরা ক্ষতিকর স্টেরয়েড জাতীয় ট্যাবলেট বা ইনজেকশন ব্যবহার করেন না বলে জানান তিনি। তার দাবি গো খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খামারিদের বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে। ফলে গরুর দাম স্বাভাবিকভাবে বেশি পড়বে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই এবারের কোরবানির চাহিদা মিটবে। এর মধ্যে  দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও ব্যবসায়ীরা পশু আনতে শুরু করেছেন এবং মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও কোরবানীকে লক্ষ্য রেখেই পশু পালন করেছেন। এ কারণে এবার জেলায় কোরবানির পশু সংকট হবে না বলেও জানান তিনি।