ঢাকামঙ্গলবার , ২১ জুন ২০২২

টাঙ্গাইলে পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ থাকলেও পাচ্ছে না বন্যাদুর্গতরা

শেখ রুবেল(টাঙ্গাইল প্রতিনিধি)
জুন ২১, ২০২২ ১০:০৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

উজানে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলে যমুনাসহ অন্যান্য সব নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দিন দিন বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। প্রতিদিনই সড়ক, রাস্তাঘাট ও বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। আর প্রতিনিয়ত বন্যার ভয়াবহতায় দেখতে দেখতে আতঙ্কে দিন কাটছে পানিবন্দি মানুষদের।

এদিকে টাঙ্গাইলে ৬টি উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের প্রায় ১১৫ গ্রামের হাজার হাজার পরিবার ও লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হলেও সরকার কর্তৃক এখন পর্যন্ত কোন ত্রাণ সহায়তা পায়নি বানভাসিরা। যদিও প্রশাসন দাবি বন্যাদুর্গতদের জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যমুনা নদীতে হু হু করে প্রতিদিনই পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে উপজেলার গোবিন্দাসী, গাবসারা, নিকরাইল ও অর্জুনা ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেই সাথে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ভেঙে বন্যার পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এতে তলিয়ে যাচ্ছে পুকুরসহ পাট, আউশ ধান ও বিভিন্ন ফসল।

এছাড়াও ওইসব এলাকায় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে। আর খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্টে মানববেতর জীবন যাপন করছে শত শত গ্রামের পানিবন্দি মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ মুহুর্তে যমুনা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার, ঝিনাই নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার এবং ধলেশ্বরী নদীর পানি ১৬ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: ইশরাত জাহান জানান, ইতিমধ্যে উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বন্যার্দুগত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণ সহায়তার চাওয়া হয়েছে। এখনও কোন বরাদ্ধ বা ত্রাণ সহায়তা পায় নি। ত্রাণ সহায়তা আমাদের কাছে এসে পৌছালে বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হবে।