ঢাকাসোমবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:২৯
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২ বছর বাকি থাকতেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ

নিউজরুম বিডি২৪
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ৭:৪০ অপরাহ্ণ
পঠিত: 22 বার
Link Copied!

 

দুই বছর বাকি থাকতেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ

 

২০২৩ সালের শেষে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রায় দুই বছর বাকি থাকতেই দলের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

 

২০২৩ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের সামনে কী কী প্রতিশ্রুতি, পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করলেন বৃহস্পতিবার।
বৈঠকে দলের মধ্যকার দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক তৎপরতা চালুর নির্দেশও এসেছে।

 

সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বসে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের বৈঠক। এতে সভাপতিত্ব করেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।

ADVERTISEMENT

বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর। সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনের আগের ৯০ দিনের যেকোনো দিন হবে নির্বাচন।

 

দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন সামনে রেখে অর্থনৈতিক নীতিমালা করতে উপকমিটিগুলোকে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

করোনার কারণে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রয়েছে। প্রায় দেড় বছর ধরে সাংগঠনিক সব তৎপরতা স্থগিত রেখেছে ক্ষমতাসীন দলও। দলের সবশেষ কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ৩ অক্টোবর।

ADVERTISEMENT

প্রায় এক বছর পরের এই বৈঠকে শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাড়াও ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর ১০ সদস্য, ৩ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৮ জন সাংগঠনিক সম্পাদক, ১২ জন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য এবং ১০ জন কার্যনির্বাহী সদস্য।

প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার এই বৈঠকে উপকমিটির কয়েকজন সদস্যসচিবের বক্তব্যও শোনেন শেখ হাসিনা। নিজের ভাবনাও তুলে ধরেন।
বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে আমাদের অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন বিভাগকে সেমিনারের মাধ্যমে যেমন শিক্ষা বা স্বাস্থ্য, পরবর্তী যে নির্বাচনী ইশতেহার হবে, তাতে যে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হবে তা আপডেট করার জন্য উপকমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

ADVERTISEMENT

বৈঠকে আটটি বিভাগের মধ্যে সাতটির সাংগঠনিক সম্পাদকরা সাংগঠনিক প্রতিবেদন তুলে ধরেন। চট্টগ্রামের বিভাগীয় সম্পাদক দেশে না থাকায় সেই বিভাগের প্রতিবেদন তুলে ধরেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

ওবাইদুল কাদের বলেন, সাংগঠনিক সম্পাদকরা লিখিত প্রতিবেদনে এলাকার ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড পর্যন্ত পরিস্থিতি নেত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন।‘যেখানে যেখানে যে যে সমাধান ইমিডিয়েটলি দরকার, এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা তিনি (শেখ হাসিনা) দিয়েছেন’।

দলের বিভিন্ন ইউনিটে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে যে বিরোধ আছে, তা মীমাংসা করার নির্দেশ এসেছে বলেও জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। বলেন, ‘পাবনায় পৌরসভা নির্বাচনে অনেকে বিদ্রোহ করেছিল। সদর এবং পৌর এলাকার প্রায় ২০ জনের মতো। তারা ক্ষমা চেয়ে একটি চিঠি দিয়েছে নেত্রীকে। তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন তিনি।

‘একই সঙ্গে এটাও তিনি বলেছেন, যারা দলের ডিসিপ্লিনের বিরুদ্ধে কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। কাউকে কোনো ব্যাপারে ছাড় দেয়া যাবে না।’
ওবাইদুল কাদের আরও বলেন, ‘আরেকটা বিষয় হচ্ছে, অপপ্রচার ও চক্রান্ত চলছে সরকারের বিরুদ্ধে।

যতই নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে, ততই এটার মাত্রা বাড়ছে। এসব অপপ্রচারের জবাব দিতে হবে। অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দলীয় বিরোধের সুযোগ অন্য কেউ যাতে না নিতে পারে সে ব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।

 

ADVERTISEMENT

x