ঢাকাসোমবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:৪১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেটে ভ্যালী বোর্ডিং স্কুলে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ

লিটন পাঠান, সিলেট ব্যুরো প্রধান।
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ৭:১৭ অপরাহ্ণ
পঠিত: 24 বার
Link Copied!

 

 

সিলেটে ভ্যালী বোর্ডিং স্কুলে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ

 

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত জাফলং ভ্যালী বোর্ডিং স্কুল  অতিরিক্ত ফি আদায় করছে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন অভিভাবকরা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় করোনা মহামারীর কারণে জাফলং ভ্যালী স্কুল ও স্কুলের হোস্টেল বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু স্কুল ও হোস্টেল বন্ধ রাখার পরও কর্তৃপক্ষ আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে থাকা, খাওয়া ও হোস্টেল ফি’র নামে মাসিক ৫ হাজার টাকা করে আদায়ের নোটিশ জারি করেছে।

 

ADVERTISEMENT

অভিযোগে বলা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের পড়ালেখার প্রতিশ্রুতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় আমরা ২০১৯-২০ সেশনে আমাদের সন্তানদের জাফলং ভ্যালী বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি করি। শুরুতে প্রতিষ্ঠানটির লেখাপড়ার মান ও নিয়ম-শৃঙ্খলা আশানুরূপ হলেও ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে কর্তৃপক্ষ স্কুল ও হোস্টেল বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের যার যার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হোস্টেল চার্জ বাতিল করে শুধুমাত্র টিউশন ফি প্রদানের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

 

ADVERTISEMENT

কিন্তু সম্প্রতি সিলেট শিক্ষা বোর্ড এইচএইসসি পরীক্ষার ফর্ম পূরণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীপ্রতি ৫ হাজার টাকা হারে ১৬ মাসের জন্য ৮০ হাজার টাকা হোস্টেল চার্জ পরিশোধের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর অভিভাবকরা আলোচনায় বসলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের ফিরিয়ে দেয়। সংকটাপন্ন এই সময়ে অযৌক্তিক থাকা, খাওয়া ও হোস্টেল চার্জ পরিশোধ না করলে ১৯ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে, অভিভাবকদের কয়েকজন জানান স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের পূর্বের ঘোষণা প্রত্যাহার করে।

 

ADVERTISEMENT

হোস্টেল চার্জ দাবি করায় ১৯ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবক মিলে থাকা, খাওয়া ও হোস্টেল চার্জের সর্বমোট ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকা বাতিলের দাবিতে জৈন্তাপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।এ ব্যাপারে জানতে জাফলং ভ্যালী বোর্ডিং স্কুল কর্তৃপক্ষের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ কল রিসিভ করেননি।

 

জৈন্তাপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত আজমেরী হক বলেন, আমার নিকট অভিযোগ এসেছে। আমি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।

 

 

ADVERTISEMENT

x