দুইবাংলার কালজয়ী কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহের জীবনাবসান – Newsroom bd24.
ঢাকামঙ্গলবার , ৩১ আগস্ট ২০২১

দুইবাংলার কালজয়ী কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহের জীবনাবসান

ফয়সল আহম্মদ। (ডেস্ক ঢাকা)
আগস্ট ৩১, ২০২১ ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 

দুইবাংলার কালজয়ী কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহের জীবনাবসান

 

দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ আর নেই। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টায় কলকাতার বেসরকারি একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

 

এই বছরের এপ্রিলে বুদ্ধদেব গুহ করোনা সংক্রমিত হন। তারপরে তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ৩৩ দিন পর তিনি করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হন। কিন্তু করোনা–পরবর্তী নানা জটিলতা নিয়ে ৩১ জুলাই ভর্তি হন দক্ষিণ কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে। সেখানেই গতকাল প্রয়াত হন তিনি।

 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার পাশাপাশি বুদ্ধদেবের মূত্রনালিতে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। এ ছাড়া তাঁর লিভার ও কিডনিতেও সমস্যা ছিল। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তির পর আবারও কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছিল তাঁর। তবে তাতে সংক্রমণ ধরা পড়েনি। দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভোগা বুদ্ধদেব বয়সজনিত নানা সমস্যাতেও ভুগছিলেন।

 

বুদ্ধদেব গুহর প্রথম উপন্যাস ‘জঙ্গলমহল’। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘মাধুকরী’, ‘কোজাগর’, ‘অববাহিকা’, ‘বাবলি’, ‘পঞ্চ প্রদীপ’, ‘কুমুদিনী’, ‘কুসুম’, ‘বাতিঘর’, ‘ভাবার সময়’, ‘নিবেদন’, ‘পরিযায়ী’, ‘চাপরাশ’, ‘রাগমালা’, ‘হাজারদুয়ারী’, ‘আয়নার সামনে’, ‘অবন্তিকা’, ‘বইমেলাতে’, ‘বাসনা কুসুম’, ‘চন্দ্রায়ন’, ‘বনবাসর’, ‘সাজঘর’। কিশোর সাহিত্যেও ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। তাঁর সৃষ্ট ঋজুদা বা ঋভুর মতো চরিত্র পাঠকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে।

 

বুদ্ধদেব গুহর জন্ম ১৯৩৬ সালের ২৯ জুন। তাঁর সহধর্মিণী ছিলেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ঋতু গুহ। বুদ্ধদেব গুহ তাঁর শৈশবের বড় একটা সময় কাটিয়েছেন বাংলাদেশের বরিশাল, রংপুর, জয়পুরহাটে। বরিশাল জেলা স্কুলেও পড়েছেন তিনি। এরপর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি পড়াশোনা করেছেন ।