ঢাকাবুধবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৪৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চাকরি বাঁচাতে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ।

লিটন পাঠান ( সিলেট প্রতিনিধি )।
জুলাই ৩১, ২০২১ ১১:৪১ অপরাহ্ণ
পঠিত: 13 বার
Link Copied!

 

 

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চাকরি বাঁচাতে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ।

 

 

সময় মতো কর্মস্থলে যোগ দিতে না পারলে চাকরি চলে যাবে আর এ কঠিন সময়ে একবার যদি চাকরি চলে যায় তাহলে বউ ছেলে মেয়ে নিয়ে রাস্তায় নামতে হবে। কথা গুলো বলছিলেন ঢাকার ইপিজেডের এক পোষাক শিল্প কারখানায় কর্মরত হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ইব্রাহিম মিয়া।

 

তিনি এই কঠোর লকডাউনেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বউ আর ছোট ছেলে নিয়ে ঢাকা যেতে অপেক্ষা করছেন মাধবপুর উপজেলা বাসস্ট্যান্ডে। ইব্রাহিমের মতো শত শত মানুষ গনপরিবহন বন্ধ থাকায় বিপাকে পরেছেন ।

 

ADVERTISEMENT

রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা রবিবার থেকে খুলে দেওয়ার হঠাৎ সিদ্ধান্তের পর মাধবপুর উপজেলাসহ ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলা থেকে মাধবপুর নোয়াপাড়া-রতনপুর-রতনপুর- দগাগেইট- অলিপুরসহ বিভিন্ন স্থানে মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন।

 

শনিবার সকাল থেকে মাধবপুর বাস স্ট্যান্ডের বিভিন্ন পয়েন্টে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

লকডাউনের কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় কর্মস্থলে ফিরতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ, সেই সঙ্গে আষাঢ়ে বৃষ্টি তাদের ভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ।

 

ট্রাক প্রাইভেট কার মাইক্রো বাস পিকআপ ও ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেলে করে যে যেভাবে পারছেন সপরিবারে ঢাকা ফিরছেন।

গণপরিবহণ না থাকায় কয়েকগুণ বেশি টাকা খরচ করে কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে। ন এই সকল মানুষদের মানুষের  উপচে পড়া ভীরের কারনে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত।

ADVERTISEMENT

মুখে মাস্ক ছাড়া গাদাগাদি করে যানবাহনে উঠছেন যাত্রীরা। মাধবপুর এলাকার একটি গার্মেন্টসের কর্মী দম্পতি রিনা আক্তার ও লিটন মিয়া তাদের দুই সন্তানকে নিয়ে ঈদ করতে নিজ গ্রামে এসেছিলেন।

 

 

মাধবপুর বাসস্ট্যান্ডে যানবাহনের অপেক্ষায় থাকা এই দম্পতি বলেন, তারা জানতেন লকডাউন শেষ হলে গার্মেন্টস খুলবে কিন্তু হঠাৎ কারখানা খোলার সিদ্ধান্তে তাদের তড়িঘড়ি করে রওনা দিতে হচ্ছে, কিন্তু কোনো যানবাহন পাচ্ছেন না কয়েকটি মিনি ট্রাকে উঠার চেষ্টা করেও সঙ্গে বাচ্চা ও ব্যাগ থাকায় উঠতে পারেননি ।তারা আরও বলেন কী আর করবো চাকরি বাঁচাতে হলে যেভাবেই হোক যেতে হবে।

স্ট্যান্ডে কোন অটো রিক্সা বা সিএনজি আসলেই হুমরী খেয়ে পড়ছেন মানুষ। যানবাহন না পেয়ে অনেকেই রিক্সা বা ভ্যানে এমনকি পায়ে হেঁটেও রওনা হয়েছেন। লকডাউনের কারণে বাস চলাচল না করায় ট্রাক মোটর সাইকেলসহ বিভিন্নভাবে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ।

 

তবে, সন্ধ্যার পর গণপরিবহন এবং লঞ্চ চলার ঘোষণাকে স্বাগত, জানিয়েছে এই সকল যাত্রীরা। তারা বলেন এ ব্যাপারে আগে সিদ্ধান্ত নিলে সারাদিনের এই ভোগান্তি পোহাতে হতো না।

 

নিউজরুম  বিডি২৪। 

 

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

x