ঢাকাশুক্রবার, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:১২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কোম্পানীগঞ্জে আটকে আছে মডেল মসজিদ নির্মাণকাজ।

লিটন পাঠান ( সিলেট প্রতিনিধি )
জুলাই ২৮, ২০২১ ৬:০৩ অপরাহ্ণ
পঠিত: 89 বার
Link Copied!

 

 

কোম্পানীগঞ্জে আটকে আছে মডেল মসজিদ নির্মাণকাজ।

 

মামলার কারনে আটকে আছে  উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রকল্পের নির্মান কাজ।

কাজ শুরুর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি।

২০১৯ সালের জুনে শুরু হওয়ার পর গত বছরের ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। গত জুনে দুই বছর পার হলেও কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নিজস্ব ভূমিতে মডেল মসজিদ নির্মাণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ও সয়েল টেস্ট (মাটি পরীক্ষা) চালানো হয়।

স্বাধীন কনস্ট্রাকশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজ পায়।২০১৯ সালের ৩ জুন স্বাধীন
কনস্ট্রাকশনকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

কার্যাদেশমতে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ শেষ করার কথা। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ১২ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা

এ অবস্থায় প্রকল্পের ভূমি নিজের দাবি করে জেলা সহকারী জজ কোম্পানীগঞ্জ আদালতে মামলা করেন বুড়িডহর গ্রামের সামছুন নেহার।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর আদালত নালিশা ভূমিতে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এরপর থেকে প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাধীন কনস্ট্রাকশনের পরিচালক ও ঠিকাদার ইকরামুল হক বলেন, ২০১৯ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

এরপর জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে আদালতের নির্দেশে কাজ বন্ধ রাখা হয়।

প্রকল্পের প্রকৌশলী রিপন কুমার রায় জানান, মামলা চলমান থাকায় কাজ বন্ধ রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মামলাটি পরিচালনা করছে আর কয়েকটি শুনানি হলেই হয়তো মামলার রায় হয়ে যাবে। রায় না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজ শুরু করা যাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপজেলা সুপারভাইজার মাওলানা আবদুল আজিজ বলেন, আদালতে করা স্বত্ব মামলায় প্রকল্পের নির্মাণকাজ বন্ধ থাকলেও আমরা লড়ে যাচ্ছি।

কোভিডের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আর শুনানি হয়নি আশা করছি মসজিদের পক্ষেই রায় হবে।

ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন জানান, প্রকল্পের জমিতে বাদীর কোনো স্বত্ব স্বার্থ ও দখল নেই।

 

জমির প্রকৃত মালিক উপজেলা পরিষদ সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

এদিকে বাদী আদালতে তাঁর জবান বন্দিতে বলেন, নালিশা ভূমির ৪০ শতক অংশে যে পুকুরটি রয়েছে, সেটি তিনি ৮-১০ বছর আগে খনন করেছেন পুকুরের দক্ষিণে তাঁর নিজের বাড়ি রয়েছে।

মসজিদ নির্মাণের জন্য পুকুর ভরাটের সময় তিনি বাধা দিয়েছেন বলেও আদালতে জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন আচার্য বলেন, ‘আশা করছি, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মামলার রায় পাওয়া সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজে হাত দেওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ’ প্রকল্প গ্রহণ করে।

 

নিউজরুম বিডি২৪।