ঢাকাশুক্রবার, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৪৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে মাধবপুরে ব্যবসা শূন্য ব্যবসায়ীরা।

লিটন পাঠান ( সিলেট প্রতিনিধি )।
জুলাই ১৭, ২০২১ ৭:৫০ অপরাহ্ণ
পঠিত: 123 বার
Link Copied!

 

প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে মাধবপুরে ব্যবসা শূন্য ব্যবসায়ীরা।

 

কঠোর লকডাউনের ১৪ দিন পর দেশ জুড়ে শিথিল করা হয়েছে লকডাউন। শিথিল লকডাউনের প্রথম দিন পুরনো রূপে ফিরে এসেছে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা। দোকান-পাট-শপিংমল খুলেছে, রাস্তাঘাটে মানুষের জনসমাগম বেড়েছে, সড়কে গাড়ির যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

সবকিছু যেন স্বাভাবিক হয়েছে এদিকে ১৪ দিন কঠোর লকডাউনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হলেও অনেক ব্যবসায়ী রয়েছেন আজ ব্যবসা শূন্য। উপজেলার অনেক ব্যবসায়ীরা জানান গত বছরের তুলনায় এবার করোনার ভয়াল থাবায় আর্থিক সংকটে রয়েছেন ক্রেতারা।

আগের তুলনায় এ বছর দোকান-পাটগুলোতে তেমন ভিড় পরিলক্ষিত করা যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে সবকিছু খুলে দেয়া হলেও চিন্তিত হাজার-হাজার ব্যবসায়ী। ঈদের মাত্র ৫ দিন বাকি রয়েছে। এ ৫ দিনে ব্যবসায়ীরা তাদের লোকসান পুষাতে পারবেন কি না এনিয়েও চিন্তিত তারা। সচরাচর কোরবানির ঈদে তেমন ব্যবসা হয়না। এ বছর লকডাউনে মানুষের অবস্থা একেবারেই যায়যায়।

 

শনিবার সকালে উপজেলার পৌর শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা শূন্য অনেক দোকান। বেশির ভাগ দোকানের ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করছেন। ঘুরে ঘুরে কথা হয় অনেক ব্যবসায়ী-ক্রেতাদের সাথে। ব্যবসায়ীরা জানান, আজ তৃতীয় দিন দোকান খুলেছি। ব্যবসা একেবারেই নেই। মানুষ কম আসছেন দোকানে। অনেক ব্যবসায়ী জানান, ক্রেতারা বাজারমুখী না হওয়ায় এবং আর্থিক সংকটে এবার কেনাকাটা করতে অনাগ্রহি রয়েছেন। এ যদি অবস্থা হয় তাহলে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যাবে।

এদিকে ক্রেতা বলছেন, লকডাউনে তাদের অবস্থা খারাপ। খেয়ে বাঁচা বিষণ দায়। আর কাপড় কিনার চিন্তা তো অনেক দূর। ফোর-জি কালেকশন এর স্বত্ত্বাধিকারী টিটু সরকার জানান, গত ২ দিনে তিনি ৪ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। এ টাকা থেকে তিনি দোকান ভাড়া সহ দুপুরের খাবার খাওয়া হয়েছে। কর্মচারীর ভাতা নিজের পকেট থেকে দিতে হবে।

দুলাল কসমেটিক এর স্বত্ত্বাধিকারী দুলাল বণিক জানান, গত বছরের তুলনায় এবং কঠোর লকডাউনের কারণে এবার বিলাসীতায় অনেকটা আগ্রহী নেই মহিলাদের। প্রতি বছরই এমন ঈদ মৌসুমে আমরা অনেক লাভবান হই। কিন্তু গত বছরের তুলনায় তার অর্ধেকও আয় হবে না। মাধবপুর বাজারের ইসলাম মিয়া জুতা ব্যবসায়ী বলেন, পরিস্থিতি খুব খারাপ। আগেই বুঝেছি এ ঈদে ব্যবসা হবে না। ঈদের আগে মানুষ ১৪ দিনের লকডাউনে ছিল। টাকা পয়সা মানুষের হাতে নেই। কি ভাবে মানুষ কিছু কিনবে।

এ ব্যাপারে মাধবপুর পৌরসভা মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক জানান, টানা ১৪ দিন লকডাউন থাকার পর ঈদ পর্যন্ত লকডাউন শিথিল থাকায় মাধবপুর পৌর মার্কেটগুলোতে কিছু জনসমাগম পরিলক্ষিত করা যাইতেছে। কিন্তু আর্থিক সংকট এবং কঠোর লকডাউনের কারণে ক্রেতাদের হাতে টাকা পয়সা কম থাকার এ বছর কোরবানি ছাড়া অন্য কিছু কিনতে তারা আগ্রহী নেই। তবে ঈদ লগনে কিছুটা কেনাবেচা ভাল হবে মনে করছি।

 

নিউজরুম বিডি২৪।