সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল অনেকটাই চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।
মাহদী আমিন বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের সুবিধার জন্য নতুন যে পে-স্কেল করা হয়েছে, সেটা অনেকটাই চূড়ান্তের পথে।’
সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, ইশতেহারে উল্লেখ করা কর্মসূচির বাইরেও সরকার বেশ কিছু কাজ করেছে। অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আগের সরকার লোপাট করে দিয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ২০২২ সালের পর থেকে তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করার পর তিনি অর্থের ব্যবস্থা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় দুদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে ২ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।
এর আগে রোববার নবম পে স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় এর ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
ফলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার ইতিবাচক বার্তা পাওয়া যাচ্ছে।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
জাকির আহমেদ খান কমিশন বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল।
এখন সেই সুপারিশ ও পরবর্তী পর্যায়ের পর্যালোচনার ভিত্তিতে সচিব কমিটির চূড়ান্ত করা খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায়। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন মিললে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে যেকোনো সময় নবম পে স্কেলের ঘোষণা আসতে পারে।